ABET: টাইমস: মোদ্রিচ ও সি. রোনালদোর অবস্থা একই রকম, খেলে গেলে শেষটা হতে পারে আফসোসের
ABET শেয়ার করছে: ব্রিটিশ টাইমসের কলাম লেখক টনি ক্যাসকারিনো আজ একটি লেখা প্রকাশ করেছেন। তাতে ক্রোয়ে
ব্রিটিশ টাইমসের কলাম লেখক টনি ক্যাসকারিনো আজ একটি লেখা প্রকাশ করেছেন। তাতে ক্রোয়েশিয়ার অধিনায়ক মোদ্রিচের বর্তমান অবস্থা নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, মোদ্রিচের এখনকার অবস্থা দেখে কষ্ট হয়। সি. রোনালদোর মতো তিনিও দলের কিংবদন্তি হয়ে বয়স বাড়ার পরও খেলছেন, আর এতে দলের পারফরম্যান্স ও পুনর্গঠন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

মোদ্রিচ নিয়ে ক্যাসকারিনোর কলাম

ফুটবলার হিসেবে কখনও কখনও বুঝতে হয়, নিজের শীর্ষ সময় পেরিয়ে গেছে। বিলিচের নেতৃত্বে ক্রোয়েশিয়া দলের এই অধ্যায় প্রায় শেষের দিকে। শনিবার ইংল্যান্ডের কাছে ০-৭-এর বিপর্যয় সেটাই স্পষ্ট করে। একজন পেশাদার খেলোয়াড় কখন অবসর নেবেন, তা বিচার করার অধিকার আমার নেই। কিন্তু ৪১ বছর বয়সী মোদ্রিচকে মাঠে হিমশিম খেতে দেখে সত্যি কষ্ট হয়।
এই সাবেক বালোঁ দর মধ্যমাঠে ইংল্যান্ডের প্রাণশক্তির কাছে চাপা পড়ে যান। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ তাঁর হাতে ছিল না। পেছন থেকে ছুটে আসা খেলোয়াড়দের সঙ্গেও তিনি তাল মেলাতে পারেননি। ইংল্যান্ডের চতুর্থ গোলে বেলিংহাম ঠিক সেটাই করেছিলেন।
জাতীয় দলে মোদ্রিচের ভূমিকা তাঁর সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ সতীর্থ সি. রোনালদোর সঙ্গে মিলে যায়, যখন রবের্তো মার্তিনেস পর্তুগালের কোচ ছিলেন। তখন সি. রোনালদো স্পষ্টতই শীর্ষ সময় পেরিয়ে গেছেন। তিনি তখনও ভালো খেলোয়াড় ছিলেন, কিন্তু তাঁকে একাদশে রাখা পর্তুগালের স্বার্থে ছিল না।
এই দুই খেলোয়াড় নিজ নিজ দেশের সর্বশ্রেষ্ঠ। তাই কোচরা হয়তো মনে করেন তাঁদের সুপারস্টারকে আদর করতে হবে। কিন্তু এর মূল্য দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্স। মোদ্রিচ সি. রোনালদোর মতো অহংকারী মনে হয় না, তবু তিনিও যেন মেনে নিতে পারছেন না যে জাতীয় দলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক হয়তো শেষের দিকে।
টুখেল যেমন বলেছেন, ইংল্যান্ড কেইনের বিকল্প খুঁজে পায় না। ক্রোয়েশিয়াও দ্বিতীয় মোদ্রিচ কখনও পাবে না। ক্রোয়েশিয়ার স্বর্ণপ্রজন্মের নেতা হিসেবে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে বারবার সাফল্যের জন্য আমি তাঁকে প্রশংসা করি। টটেনহাম ও রিয়াল মাদ্রিদের দারুণ মধ্যমাঠের খেলোয়াড় হিসেবে তাঁর ক্যারিয়ারও প্রশংসনীয়। কিন্তু এখন উচ্চমানের মঞ্চে তিনি আর ভালো খেলতে পারছেন না।
ক্রোয়েশিয়ায় হয়তো মোদ্রিচের মতো এত প্রতিভাবান ও সম্ভাবনাময় তরুণ নেই। তিনি ২০০৮ ইউরোতে হঠাৎ উঠে এসে এক ধাক্কায় নাম করেন। তবু তাদের নতুন প্রজন্ম দিয়ে প্রবীণদের জায়গা নিতে হবে, মোদ্রিচের উত্তরাধিকার এগিয়ে নিতে হবে।
ক্রোয়েশিয়া জাতীয় দলের জন্য মোদ্রিচের অবদান তাঁকে ইতিহাসে অমর রাখতে যথেষ্ট। কিন্তু শীর্ষ সময়ের পরও খেলে গেলে শেষটা আফসোসের হতে পারে।